সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত ২০

প্রকাশিত

আলমগীর হোসেন প্লাবন(সোনারগাঁ)নারায়ণগঞ্জ-

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে আধিপত্য বিস্তার ও গুষ্টিগত দন্দ্বকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ২০জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১মে) সকালে পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সময় উভয় পক্ষের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় সোনারগাঁ থানায় উভয় পক্ষের লিটন ও বাদল অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। আহতদের মধ্যে গোলজার শাকিল নামের দুজনের অবস্থা আশংকাজনক।

প্রতক্ষদর্শীরা জানায়, উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের নয়াগাঁও গ্রামে আব্দুল খালেকের ছেলে সুজনের সাথে পাশ্ববর্তী হাজী আব্দুল হকের ছেলে বাদলের সাথে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এবিরোধের জের ধরে বুধবার সন্ধ্যায় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এঘটনাকে কেন্দ্র করে ঊভয় পক্ষের লোকজন বেলা ১১ টার দিকে দেশীয় অস্ত্র টেঁটা, বল্লম, রামদা, লোহার রড ও ইট নিয়ে একে অন্যের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে সুজন পক্ষের লিটন, বরকত মোল্লা, হাকমত, সুজন, সাইদুল, শাহিন ও বাদল পক্ষের গোলজার, শাকিল, মাসুদ, মামুন, বাদল, কামাল, খুশি বেগম, মুক্তি, তাহেরা ও বাবুসহ ২০ জন আহত হয়।
সুজন জানায়, বুধবার বিবেলে আমরা ৪-৫জন যুবক দোকানে গল্প করছিলাম। হঠ্যাৎ বাদলসহ ৪জন অকথ্য ভাষার গালিগালাজ করে। এতে বাধা দেওয়ায় বাদল ও শমর আলীর নেতৃত্বে আমাদের উপর হামলা করে।

অভিযুক্ত বাদল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হত্যা মামলার দুই আসামী জামিনে বেরিয়ে এসে আমাদের মামলা তুলে নিতে হুমকি দেয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  মনিরুজ্জামান মনির  বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।