স্বর্ণ যোজনায় সেজে উঠে আজ হাওড়া থেকে যাত্রা শুরু রাজধানী এক্সপ্রেসের

প্রকাশিত

সুব্রত বিশ্বাস: বড়দিনে কোথাও বেড়াতে যেতে ইচ্ছা করছে? বা জরুরি দরকারে রাজধানীতে চাপতে হবে? তাহলে আর দেরি করছেন কেন? হাওড়া স্টেশন থেকে শনিবারই যাত্রা শুরু করবে নয়া সাজের রাজধানী এক্সপ্রেস। একবার চেপেই দেখুন না! রেল মন্ত্রকের দাবি, নয়া সাজের রাজধানীতে একবার চাপলে আন্তর্জাতিক মানের যাত্রার অনুভূতি পাবেন।

[ট্রেনে বসেই বিমানযাত্রার ‘অনুভূতি’ পাবেন শতাব্দীর নতুন কামরায়]

ইতিমধ্যেই শিয়ালদহ থেকে নয়া সাজের রাজধানী এক্সপ্রেস যাত্রা শুরু করেছে। এবার পালা হাওড়ার। এই উপলক্ষ্যে সেজে উঠছে হাওড়া রাজধানী এক্সপ্রেস। আজ বিকেল চারটেয় পূর্ব রেলের জিএম হরীন্দ্র রাও ট্রেনটির উদ্বোধন করবেন। স্বর্ণ যোজনায় প্রতিটি জোনকে রাজধানী ও শতাব্দীর আধুনিকীকরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ হয়েছে রেক প্রতি ৫০ লক্ষ টাকা। স্বর্ণ প্রকল্পে প্রথমে শিয়ালদহ-নয়াদিল্লি রাজধানী ট্রেনকে আধুনিকীকরণ করা হয়। খরচ হয় প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। এবার পালা হাওড়ার। এই রেলে শুধু অন্দরসজ্জার পরিবর্তনই নয়, খাবারের মান ও পরিষেবার দিকেও নজর দেওয়া হয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে নিরাপত্তা ও সময়ানুবর্তিতায়।

[বিমানের স্বাচ্ছন্দ্য এবার ট্রেনেও, আভিজাত্যে ভর করে পৌঁছে যান বোলপুর-তারাপীঠ]

রেলের স্বর্ণ যোজনার অন্তর্গত এই নয়া ধাঁচের রাজধানীতে কী রয়েছে? এর চেয়ে বরং বলা ভাল কী নেই। বিশ্বমানের রং ব্যবহার করা হয়েছে এই নয়া ট্রেনের কোচের অন্দরসজ্জায়। রয়েছে এলইডি আলো। উন্নত ডাস্টবিন যেখানে আবর্জনা উপচে পড়বে না। থাকছে রাতের অন্ধকারে বার্থ চেনার জন্য বিশেষ নম্বর। দুই রঙের কম্বলের কভার। আসা ও যাওয়ার পথে আলাদা রং। দরজায় যাত্রী নিরাপত্তায় রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। ফোনের জন্য অতিরিক্ত পকেট। প্রিমিয়াম শৌচালয়। আয়নার উপরে এলইডি আলো। পরিচ্ছন্ন কমোড ও বেসিন, সেই সঙ্গে হ্যান্ড শাওয়ার। যাত্রীদের মালপত্র রাখার জন্য থাকছে অতিরিক্ত জায়গা। শৌচালয় হচ্ছে অটোমেটিক।

Be the first to write a comment.

Leave a Reply