হালুয়াঘাট শিক্ষা অফিসে হামলা, আহত-৩

প্রকাশিত

ওমর ফারুক সুমন, হালুয়াঘাটঃ হালুয়াঘা উপজেলা প্রথমিক শিক্ষা অফিসে মনিকূড়া মেহের আলী সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শহীদুল ইসলাম কর্তৃক হামলার ঘটনায় সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন সহ তিনজন আহতের ঘটনা ঘটেছে। ৮ ফেব্রুয়ারী বৃহঃপতিবার দুপুর আনুমানিক দেড়টার সময় এ ঘটনা ঘটে। আহত অপর দুইজন হলেন কম্পিউটার অপারেটর বাশির উদ্দিন ও ধারা সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আঃ হালিম। সুত্রে জানা যায়, বেতন সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে শিক্ষক শহীদুল হালুয়াঘাট শিক্ষা অফিসে প্রবেশ করে শিক্ষা কর্মকর্তা রোকনুজ্জামান কে গালিগালাজ করতে করতে প্রবেশ করে। এ সময় শিক্ষা অফিসার রোকনুজ্জামান অফিসের বাহিরে থাকায় তাকে না পেয়ে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোশারফ হোসেনকে পেলে কাঠের চেঁলা দিয়ে তাকে আঘাত করতে থাকে। এ সময় পাশেই উপস্থিত থাকা অপর দুইজন বাশির ও হালিম ফিরাতে গেলে তাদেরকেও আঘাত করে। এ ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষা ওফিসের ঝাঁড়ুদার জোসনা বলেন, প্রধান শিক্ষক শহিদুল টিওর বাচ্চা কই বলে গালিগালাজ করতে করতে শিক্ষা অফিসে প্রবেশ করেই সামনে সহকারী শিক্ষা অফিসার মোশারফ কে পেয়ে তাকেই মারধর করতে থাকে। অন্যরা ফিরাতে গেলে তাদেরকেও মারধর করে। হামলার শিকার মোশারফ হোসেন বলেন, আমি অফিসে কাজ করতে ছিলাম। টিওকে গালিগালাজ করায় আমি প্রতিবাদ করি। যার কারনে আমার উপর হামলা করেন। কি কারনে হামলা করেছেন তার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। এ বিষয়ে শিক্ষা অফিসার রোকনুজ্জামান বলেন, শিক্ষক শহীদুল ইতিপূর্বে তিনদিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় তাকে সুকোজ করেছিলাম। এ ঘটনার জের ধরেই হইতো এ ঘটনা ঘটাইতে পারে। তিনি এ ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে এ প্রতিবেদককে জানান। হামলাকারী প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, আমি ব্যাংকে গিয়ে দেখি সকলের বিল হলেও আমার বিল হয়নাই। আমি কি না খেয়ে থাকবো। আমি এই ক্ষোভেই এ ঘটনা ঘটিয়েছি। হালুয়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিয়া বলেন, শহীদুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে আটক করা হয়েছে। তবে শিক্ষা অফিস কর্তৃক মামলা দায়ের হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।