৫০০ টাকা খেয়ে ৪০০ টাকা ফেরত!

প্রকাশিত

নেত্রকোনা সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি ল্যাপটপ বিতরণ করে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ খবর জানাজানি হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার তিনি এর বেশির ভাগ টাকা ফেরত দিয়েছেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দুলদুল জাহিদ বলেন, ‘অনেক শিক্ষক এ বিষয়ে আমাকে বলেছেন। তিনি (উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা) একটি দায়িত্বশীল পদে থেকে এ কাজ করতে পারেন না। এতে সরকারের সাফল্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে।’

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম কর্মকর্তা রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি শোনার সঙ্গে সঙ্গে টাকা ফেরত দিতে বলেছি। এ নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।’

জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকাল থেকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় সদর উপজেলায় ১১২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনা মূল্যে ল্যাপটপ বিতরণ করা হয়। কিন্তু ল্যাপটপ আনা ও পরিবহন খরচের কথা বলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ ফারুক প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ৫০০ টাকা করে নেন। টাকা নেওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শিক্ষকদের খবর দিয়ে এনে ৪০০ টাকা করে ফেরত দেন।

জানতে চাইলে হোসাইন মোহাম্মদ ফারুক বলেন, ‘বিষয়টি আগে বুঝতে পারিনি। তবে সবার টাকাই ফেরত দেওয়া হয়েছে। আপনি তো বোঝেন, এগুলো আনতে বহন খরচ আছে। এ টাকা আমি কোথায় পাব।’

Be the first to write a comment.

Leave a Reply