৮৫ বছরেও বয়স্কভাতা মেলেনি রহম আলীর

প্রকাশিত

আরিফুল ইসলাম, টাঙ্গাইল- যাওয়া এই ব্যক্তি উপজেলার দেউলী ইউনিয়নের ঝুনকাই গ্রামের বাসিন্দা। ২০ বছর ঘুরেছেন জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে  দ্বারে। একটি বয়স্কভাতার কার্ডের জন্য। আশ্বাস দিয়েছেন সবাই। কিন্তু চাহিদা মাফিক টাকা জোগাড় করতে পারেননি। তাই ভাতাও মেলেনি। তিন ছেলে এক মেয়ের বাবা তিনি। ছেলেরা বিয়ে করে যার যার মত সংসার পেতেছে। মেয়েরও বিয়ে হয়ে গেছে। তাদের কেউ আর খোঁজ রাখে না বৃদ্ধ বাবা-মার। বুধবার দুপুরে উপজেলা সদরে এসে ভিক্ষার হাত বাড়ান তিনি । বয়স্ক, দুঃস্থ, অসহায়দের জন্য সরকারি সহায়তা পান কিনা এমন প্রশ্ন করলে অশ্রুসজল চোখে জানালেন তার দুঃখের ইতিহাস। তিনি বলেন, উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সভানেত্রী সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান দেওয়ান তাহমিনা হক এবং বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান তার এলাকার লোক। কেউই তার জন্য বয়স্কভাতার ব্যবস্থা করেননি। ওয়ার্ড মেম্বার মোহাম্মদ আলীর নিকটও গিয়েছেন একাধিকবার। চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সাচ্চু প্রতিবেশী। তার চোখেও পড়েননি রহম আলী। শেষ বয়সে বয়স্কভাতার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য বলেন, কোটার ভিত্তিতে ভাতার কার্ড বন্টন করা হয়। সেই হিসাবে আগামীতে রহম আলীর বয়স্কভাতার ব্যবস্থা করা হবে।
দেউলী ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সাচ্চু বলেন, আমার দুই বছর মেয়াদে অনেকেরই বয়স্কভাতার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে রহম আলীও বয়স্কভাতা পাবেন।