এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৯ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব

প্রকাশিত

বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগে বেসরকারি এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হকসহ শীর্ষস্থানীয় ৯ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সাবেক চেয়ারম্যানসহ চারজনকে বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে। এম ওয়াহিদুল হক ছাড়া অন্যরা হলেন—ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম ফজলুর রহমান ও শামীম আহমেদ চৌধুরী এবং ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশন অ্যান্ড ট্রেজারি শাখার প্রধান আবু হেনা মোস্তফা কামাল।

আগামী ২ জানুয়ারি পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে। তারা হলেন—ব্যাংকের হেড অব করপোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, কোম্পানি সচিব মাহদেব সরকার সুমন ও প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এমএন আজিম।

দুদক পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান এবি ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অনুসন্ধান করছেন। তাদের বিরুদ্ধে দুবাইভিত্তিক একটি কোম্পানির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সিঙ্গাপুরে অফশোর কোম্পানি প্রতিষ্ঠার নামে ২ কোটি মার্কিন ডলার পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, দুবাইভিত্তিক কোম্পানি পিজিএফ ৮ কোটি ও এবি ব্যাংক ২ কোটিসহ ১০ কোটি ডলার যৌথভাবে বিনিয়োগ করে ওই অফশোর কোম্পানি প্রতিষ্ঠার কথা ছিল। এজন্য এবি ব্যাংক থেকে পিজিএফের কাছে ২ কোটি ডলার পাঠানো হয়। পরে সিঙ্গাপুরে অফশোর কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের এক কর্মকর্তা সমকালকে বলেন, বিনিয়োগের নামে এবি ব্যাংক ২ কোটি ডলার পাচার করেছে। এ-সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ রয়েছে দুদকের হাতে।

সূত্র জানায়, ওই অভিযোগ সম্পর্কিত নথিপত্র চেয়ে এরই মধ্যে ব্যাংকের এমডির কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। দুবাইভিত্তিক কোম্পানি পিজিএফের বিনিয়োগ প্রস্তাব, চুক্তি ও এ সংক্রান্ত পর্ষদ সভার নথিসহ সংশ্নিষ্ট দলিল রয়েছে দুদকের কাছে।