গংগাচড়ায় ১৬-২০মিনিটেই এক বিঘা জমির ধান কেটে মাড়াই করছেন একরামুল হক

প্রকাশিত

গংগাচড়া রংপুর প্রতিনিধি:-

“আগোত দেখছি টিপিত মিশিন দিয়া ধান কাটে আর আইজ বাস্তব দেখনো বাহে ” কথা গুলো বলছিলেন যন্ত্র চালিত মেশিন দ্বারা ধান কাটা ও মাড়াই করা দেখতে আসা উৎসুক লোকজন। হঠাৎ করে এমন পদ্ধতি চোখের সামনে ঘটলে তো চমকে ওঠার কথাই!!

বিজ্ঞানের কল্যাণে মানুষের জীবন ঘনিষ্ঠ কর্মকাণ্ড হচ্ছে সহজ। কৃষি ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের ছোয়া কৃষি কাজে এনেছে গতি । কৃষি কাজে ব্যবহৃত নানাধরনের যন্ত্র পাতি ব্যবহারের মাধা্মে সময় ও অর্থ বাঁচিয়ে কৃষিতে ব্যাপক উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হচ্ছে।
তাই সময় বাঁচাতে মানুষ দেরিতে হলেও কৃষি ক্ষেত্রে এখন কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করেছে। সেক্ষেত্রে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে ও এখন আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে , বাড়ছে এসব কৃষি যন্ত্রপাতির চাহিদা।
তেমনি জমিতেই একইসাথে ধান কাটা ও মাড়াই এর এমন বিষ্ময়কর এক যন্ত্র হঠাৎ করে দেখে অবাক হচ্ছেন রংপুরের গংগাচড়া উপজেলার ভুটকা গ্রামের স্থানীয় কৃষকরা। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় গংগাচড়ায় শুরু হয়েছে আমন ধান কাটা।
রবিবার( ১৭নভেম্বর) স্থানীয় কৃষক মো ইলিয়াস মিয়ার জমিতে ধান কাটা ও মাড়াই এর লক্ষ্যে উক্ত ইঞ্জিন চালিত মেশিন টি দ্বারা একই সঙ্গে ধান কাটা ও মাড়াই এর কাজ শুরু হলে শত শত উৎসুক জনতা তা দারিয়ে দেখতে থাকেন।
এ ব্যাপারে মেশিন টির মালিক একরামুল হকের( ৩৭) সাথে আলাপ কালে তিনি জানান,১৪লক্ষ টাকায় তিনি মেশিন টি ক্রয় করেছেন। বর্তমানে তিনি নিজেই মেশিন টির চালক।
জমি সমতল হলে এক বিঘা জমির ধান কাটা ও মাড়াই এর জন্য তার প্রায় ১৬-২০মিনিট সময় লাগে বলে চ্যানেল সিক্স এর এই প্রতিবেদককে জানান তিনি।
জ্বালানি তেল ডিজেলের দ্বারা চালিত এই যন্ত্রটির দিয়ে একর প্রতি প্রায় ৮ লিটার ডিজেল খরচ হয়ে থাকে।যেখানে প্রতি একর জমির ধান কাটা ও মাড়াই এর জন্য তিনি নিচ্ছেন ৩০টাকা শতক হিসেবে ৩০০০ হাজার টাকা । যেখানে মজুরি হিসেবে শ্রমিক খরচ লাগে কমপক্ষে ৬০০০হাজার টাকা।
উল্লেখ্য মোঃ একরামুল হক উপজেলার বড়বিল ইউনিয়নের ঠাকুড়াদহ গ্রামের মৃত শফিউল্লাহর পুএ নিজেকে বেকারত্বের আওতায় াাাা না রেখে আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করছেন।
এদিকে কৃষকরা অতি অল্প সময়ের মধ্যেই তাদের ধান কাটা মাড়াই এর কাজ করতে পারছেন সল্প খরচে।তবে ইতিমধ্যে তার এই যন্ত্রটির ব্যবহার এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।