মেহমান ফাঁসি চায় মোর !

প্রকাশিত

দাওয়াত করতেই মেহমানের আবদার মাংস বিনে ভাজি ভর্তায় যদি হয় আপত্তি নেই। আমি শুধুই যোগ করলাম রূপচান্দা। রূপচান্দার রূপ বাড়াতে লিপিষ্টিক আইলেনারের মত চিংড়ি থাকতেও পারে শোভা বর্ধন কারীর লিষ্টে। মেহমান মৃদু হাসে।

ফলো আপ ট্রেনিং। ভেন্যু রয়েল টিউলিপ ইনানী কক্সবাজার। দেখভালের দায়িত্বে U.N.D.p এর যিনি । তিনি সংগঠকের জগতে জীবন্ত কিংবদন্তী। ছেলে বুড়ো সবাইর জিন্নাহ ভাই।

দুধ কলায় পুষে জামাই আদরে গ্রামীণ বিচার ব্যবস্থায় মেডিয়েটর বানিয়ে ‘সুখী হও’, ‘সুখী করো’, ‘ফ্যাসাদ মুক্ত থেকো’
এমন সব চিন্তার তালিম নিতে মাদারীপুর লিগ্যাল এইড ট্রেনিং সেন্টারে নিচ্ছেন আর আনছেন । এবারের কোর্সটি ছিল আগের কোর্সেরই ফলো আপ।

মাথিন ধীরাজের কক্সবাজারবাসী বিমোহিত হয় মাদারীপুরের মানুষের ভালবাসার ছোঁয়ায়। বাঁধনে জড়ায় লিগ্যাল এইডের । তাঁর তালিম দাতাদের । সেই ভালবাসার মানুষই মোহাম্মদ ইব্রাহিম , মশিউর রহমান স্যারই আমার বি,ডি,আর ক্যাম্প বাসার মেহমান।
চাটগাঁইয়া মেহমানদারী বলে কথা আইটেমে আইটেমে ভালবাসার পসরা সাঁজিয়েই জানান দেয়া ”মেহমান তুমি কতই না দরদের ধন ! আমিও সেই র্চ্চায় ।
সবে খাবার টেবিলে বসেই মেহমানের উপহার ‘আপনার ফাঁসি হওয়া দরকার ছিল ‘ ভ্যবচেকায় , কি ব্যত্যয়?
একটি আইটেম ছিল ধনেপাতা কুচি, মরিচ, লবণে, পেঁয়াজ কুচি। তবে পেঁয়াজ কুচির আধিক্যেই ছিল পদটি। আঙুলে এই পদটি দেখিয়ে কয় ”বাজারে ঝাঁজ তোলা পেঁয়াজের যদি হয় এমন ব্যবহার দাম শাসন হবে কেমনে! আমরাতো যুগে যুগে রইবো পেঁয়াজেরই পেয়াদা ‘! পেঁয়াজেরই পেয়াদা!

লেখকঃ- বিভাগীয় প্রধান (চ্যানেল সিক্স) সমাজবিজ্ঞান বিভাগ। উখিয়া কলেজ। কক্সবাজার।