টঙ্গীতে ঝটিকা অভিযান ও ভ্রাম্যমান আদালত

প্রকাশিত

+ মুলা চোরের ফাঁসি কার্যকর।
+ নিঃশংস ঘাতকের জামিন লাভ।
+ অবৈধ দখল মুক্ত’র উদ্যোগ নাকি ধূম্রজাল !!

মো. রফিকুল ইসলাম – গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন ৫৪ নং ওয়ার্ড’র আউচপাড়া মৌজাস্থিত আর.এস ৫১৩ নং দাগে ১ নং খাস খতিয়ানভূক্ত ২ একর ১৫ শতাংশ জমি’র প্রায় সিংহ সম্পুর্ণ অবৈধ ভাবে দখল হয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রভাবশালী কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি ঘর-বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করছে এবং কক্ষভাড়া দিয়ে অবৈধ অর্থ উপার্জন করছে। আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, স্থানীয় সরকারদলীয় প্রভাবশালী একটি মহল সরকারি জমি আত্মসাতের লক্ষ্যে সেখানে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেসরকারি বিদ্যালয় নির্মাণ করেছেন এবং স্থায়ীভাবে সেটাকে আধাপাতা দালান নির্মাণের মধ্যদিয়ে। বিষয়টি জানতে টঙ্গী পৌর ভূমি অফিসে গেলে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন জানান, জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি উচ্ছেদ আবেদন নং- (টঙ্গী/পৌর/ভূমি/অফিস/স্মারক ৩৮৪/২০১৯ ইং) তারিখ ২৫/১০/২০১৯ ইং প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে তিনি আরও বলেনÑ সম্প্রতি এলাকাবাসী একটি অভিযোগ করেন, নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনের পাইলিং এর কাদাযুক্ত ময়লা পানি পাইপলাইনের মাধ্যমে সরকারী সম্পত্তিতে (আউচপাড়া মৌজাস্থিত আর.এস ৫১৩ নং দাগে পুকুরে মধ্যে) ফেলে সরকারী সম্পদের ক্ষতি সাধন করছে। এমন অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষ সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) মোঃ এ কে এম গোলাম মোর্শেদ (টঙ্গী, গাজীপুর সদর সার্কেল) কে অবহিত করি। তিনি তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে টঙ্গী পৌর ভূমি অফিসের (আমাকে) সহকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সরোয়ার হোসেন, এবং উপ-সহকারী কর্মকর্তা রোমান হোসেনসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে সরেজমিন গিয়ে ঘটনার সততা ও প্রমাণ পাই। উত্তস্থানে (আর.এস ৫১৩ নং দাগে) তাদের ব্যবহৃত পাইপ স্থাপনরত পান, এঘটনার জন্য দায়ী “স্বপ্ননগর ডেভেলপার” কোম্পানীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মোচলেকা নিয়ে কাদাযুক্ত পানি সরকারি সম্পত্তিতে না ফেলে অন্যত্র ফালানোর নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বিকল্প ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধরাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়।
এদিকে এলাকায় হঠাৎ করে ম্যাজিস্ট্রেট! ও ঝটিকা অভিযান পরিচালিত হওয়ায় এলাকাবাসী কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে তামাশা দেখতে থাকেন। সেই সাথে একে অপরের সাথে কানাঘোষাও শুরু করে। বছরের পর বছর ধরে অবৈধ ভাবে দখল ভোগদখল করে খাচ্ছে তাতে সমস্যা হচ্ছে না, কাদাপানিতে সরকারের সম্পত্তি দাগ পড়ে নষ্ট হচ্ছে মনে হয়। বছরের পর বছর ধরে সিংহভাগ সম্পত্তি’র উপর গড়ে উঠেছে অবৈধ আবাসনসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আজ পর্যন্ত তার কোন ব্যবস্থা করতে পারলো না কর্তৃপক্ষ আজ এসেছে পানি ফেলানো বন্ধ করতে তাও তার ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে। ইদুঁরের বিরুদ্ধে সিংহের অবস্থান। ভ্রাম্যমান আদালত! ম্যাজিস্ট্রেট এ যেন উপন্যাসের সেই হিরক রাজার দেশে বসবাস আমাদের। আবার অনেকে বলে উঠছে সরকারি লোকদের মনে হয় আর কোন কাজ নেই। যে যার মতো মাটি ভরাট করে ঘর-বাড়ি তৈরি করে বসবাস করছে। আবার ভাড়া দিয়ে অবৈধ অর্থ উপার্জন করছে কেউ কেউ। উক্ত আর.এস ৫১৩ নং দাগে সরকারি ২ একর ১৫ শতাংশ সম্পত্তির একটি বিরাট অংশ (উত্তর দিকে আনুমানিক ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ) দখল করে সেখানে মামদি মোল্লা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি আধাঁপাকা দালান গড়ে উঠেছে। সেখানে বছরের পর বছর ধরে স্কুলের কার্যক্রম পরিচালনা হয়ে আসছে। দক্ষিণ, দক্ষিণপুর্ব কোণে ও পশ্চিম অংশে প্রায় ৫০ শতাংশ সম্পত্তি স্থানীয় (১) মোসাঃ রাশিদা বেগম স্বামী মোঃ জাহাঙ্গীর, (২) মোঃ কিতাব আলী, (৩) মোঃ আশ্রাব আলী ও (৪) মো হানিফ সর্ব পিতা আজেদ আলী এবং (৫) মোঃ মহি, (৬) মোঃ রশিদ ও (৭) মোঃ সফর আলী সর্ব পিতা মোছলেম উদ্দিনসহ আরও প্রায় ৭ থেকে ৮ জন অবৈধ ভাবে দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করে বসবাস করছেন।
স্বপ্ননগর ডেভেলপার কোম্পানী বিরুদ্ধে মোচলেকাসহ প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন এক পর্যায় করতে এলাকাবাসী কানাঘোষা ও বিরূপ মন্তব্য এবার প্রকাশ্য রূপ নিয়ে ফেলেছে। বিষয়টি আঁচ করতে পেরে সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) মোঃ এ কে এম গোলাম মোর্শেদ উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, যারা ঘর-বাড়ি নির্মাণ করেছেন, পত্যেকে আপনাদের স্বপক্ষের প্রয়োজনী কাগজ পত্র নিয়ে অফিসে হাজির হয়ে তা প্রর্দশন করবেন। অন্যথায় আইনে আওতায় এনে ব্যবস্থা গ্রহণসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।
এদিকে এলাকাবাসী সহকারী কমিশনার মোঃ এ কে এম গোলাম মোর্শেদ’র এমন ঝটিকা অভিযান ভ্রাম্যমান আদালত বসনো অথচ অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষনিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করে তাদের কে সময় দেওয়ার বিষয়টি ভিন্ন খ্যাতে নিয়ে গেলেন উপস্থিত জনগণ। এবং যেখানে আউচপাড়া মৌজাস্থিত আর.এস ৫১৩ নং দাগে ২.১৫ একর জমির রেকর্ডীয় মালিক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। এবং এই সম্পদ রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব জেলা প্রশাসকের অধীনস্ত সহকারি কমশিনার ভূমি (এসিল্যান্ড) এর উপর ন্যাস্ত। সেখানে তিনি জানেন, না দখলদারেরা কি মূলে দখলে রয়েছেন! বিষয়টি সত্যিই অশ্চর্যজনক ও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে উপস্থিত এলাকাবাসী ও অভিজ্ঞমহলকে।
উক্ত ঘটনার সততা জানতে সরেজমিন ঘুরে এবং এলাকার একাধিক ব্যাক্তির সাথে কথা বলে জানা গেছে, মোক্তারবাড়ী রোডে একটি নতুন ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। যেহেতু এলাকাটি ঘন বসতিপুর্ন এবং আবাসিক এলাকা তাই নির্মানাধীন ভবনের মালিকপক্ষ পাইলিং এর কাদাযুক্ত পানি যত্রতত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে এলাকার পরিবেশ নষ্ট বা চলাচলের সমস্যার সৃষ্টি হবে ভেবে তারা বিকল্প হিসেবে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পরিত্যক্ত ডোবাতে পাইপের মাধ্যমে সেই পানি সরিয়ে দিচ্ছে। এই ব্যবস্থাটি যদিও ব্যয়বহুল তথাপি তারা এলাকার পরিবেশ রক্ষার্থে এটি করেছেন।
অন্যদিকে, যে সম্পত্তির ক্ষতি সাধন রক্ষার্থে এতো আয়োজন ভ্রাম্যমান আদালত পর্যন্ত বসেছে, অথচ সেই সম্পত্তি সিংহভাগ বছরের পর বছর ধরে অবৈধ দলখদারের নিয়ন্ত্রণে চলে রয়েছে। গাজীপুর মহানগরীর ৫৪ নং ওয়ার্ড’র সাবেক কাউন্সিলর মো ঃ আলেক (বিএনপি সমথিত) উক্ত সরকারি সম্পত্তি অবৈধ দখল মুক্ত করে স্থানটিকে একটি পার্ক নির্মাণ করে সুন্দর একটি পরিবেশ উপহার দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। একবার না একাধিকবার চেষ্টা করেছেন, কিন্ত ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দখলে থাকার কারণে পারেননি। উক্ত সরকারী সম্পত্তিতে গড়ে উঠেছে বসতি, ও বর্তমান সময়ের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান একটি বেসরকারি বিদ্যালয় যেটি কিনা স্থায়ীভাবে আধাপাকা দালান রূপে অবৈধ দখলের অন্যতম সাক্ষি হিসেবে বীরদর্পে দাঁড়িয়ে রয়েছে। অবশিষ্ট অংশ যতটুকু রয়েছে তার সাথে রেকর্ডীয় সম্পত্তি শ্রেণী’র (আকার বা প্রকার) কোন মিল নেই। যার চার পাশ গ্রাস করেছে অবৈধ দখলদারেরা মাঝখানে যেটুকু ফাঁকা আছে তা শুধুই একটি ময়লার বাগার। এলাকার নতুন ভবন নির্মানকালীন অতিরিক্ত ময়লা-আবর্জনাসহ আশপাশের সকল বাড়ীর নিত্য ব্যবহৃত ময়লা উক্ত সম্পত্তিতে ফেলে এটাকে দ্রুত ভরাট করা হচ্ছে এবং টার্গেট অনুযায়ী যে অংশটুকু ভরাট সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে রাতের আধারে নির্মাণ হয়ে যাচ্ছে নতুন ঘর। ময়লা আবর্জনানহ সোয়ারেজ লাইন সংযুক্ত উক্ত সরকারি সম্পত্তিতে কাদাযুক্ত পানি সরবরাহের কারণে ভ্রাম্যমান আদালত! মোচলেকাসহ কাজ বন্ধ করে দেওয়া সকল নিয়ম পালন করা হয়েছে যথাযথ ভাবে। এতো দ্রুত অজ্ঞাত ব্যক্তি অভিযোগের ফলে একজন বিচারক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ভ্রাম্যাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ করা শোনে কি মনে হচ্ছে না দেশে এখন সত্যিই আইনের শাসন কায়েম হচ্ছে। সত্যিই জাতি আজ উন্নতির সর্বোচ্চ শিখরে পৌচেছে ? আপসোস !!! আমরা এতো টাই উন্নতি লাভ করেছি যে নিন্দুকদের ভাষায়Ñ মুলা চোরের ফাঁসি এখন বাস্তবিক রূপ নিয়েছে এবং দ্রুত… দুঃখিত… অতিদ্রুত তা কার্যকরও হচ্ছে। আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে এটাই স্বাভাবিক। আইনের রক্ষকদের ত্রুটিবিচ্যুতি ঘটে এবং তার বিকল্প সমাদান রয়েছে। কিন্তু আইন (ম্যাজিস্ট্রেট ) নিজেই যদি ত্রুটিবিচ্যুতি নজির স্থাপন করতে শুরু করে তাহলে ভবিষ্যত ফল কি দাঁড়াবে ?
শেষ পর্যন্ত নাছোরবান্দা আলাকাবাসীর একটাই প্রশ্নÑ গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন ৫৪ নং ওয়ার্ড এর আউচপাড়া মৌজায় আর.এস ৫১৩ নং দাগের সম্পুর্ণ জমির পরিমাণ ২ একর ১৫ শতাংশ তার মধ্যে ০১ (এক) শতাংশ সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আছে ? এবং জমির শেণী ‘আকার’ যা রেকর্ড এ আছে, তার কোন চিহ্ন সরেজমিনে মিলাতে পারবে কেউ ? এই যে আমূল পরিবর্তন ও অবৈধ দখলের কারণে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বিলীন হয়ে তার অস্তিত্ব পর্যন্ত হারিয়ে ফেলেছে এ বিষয়ে দ্রুত বা দীর্ঘমেয়াদী কোন পদক্ষেপ আজ পর্যন্ত যে দায়িত্বশীল রক্ষাকর্তাগণ নিতে পারেন নাই। তারা যদি কাদাপানি বন্ধ করতে দ্রুত পদক্ষেপ ও ভ্রাম্যমান আদালাত বসিয়ে সিধান্ত দিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে সবচেয়ে অপরিহার্য বিষয়টির কেলায় কি প্রমাণ দিলেন ? দায়িত্বশীলতা ! নিরবুদ্ধিতা ! নাকি অভিনব কোন কৌশল ? সর্বশেষ বিষটাকে অভিজ্ঞমহল অতি চমৎতার ও যথাযর্থ ভাবার্থে রূপ দিয়েছে। ২১ নভেম্বর সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিলান্ড)’র ম্যাজিস্ট্রেট’র অভিযানের যোগফল হচ্ছেÑ মুলা চোরের ফাঁসি কার্যকর ও নিঃশংস ঘাতকের বিণাশর্তে জামিনে মুক্তি লাভ লাভ।
আদৌ কি এই রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধ দখলমুক্ত হবে ? নাকি কাজীর গরু খাতার হিসেবে ১০০ তে ১শ’ গোয়াল ঘরটি কেবল শূণ্য। এমন ভাবনার কারণ উল্লেখ করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন প্রবীন শিক্ষক মন্তব্য করে বলেন, সহকারি কমিশনার ভূমি’র এই ঝটিকা অভিযান ও ভ্রাম্যমান আদালত অবশ্যই অফিসিয়াল কাজের একটি অংশ। তাহলে তিনি কি অফিসে নথিপত্র না দেখে কি অভিযান পরিচালনা করেছেন ? যদি আলোচিত ৫১৩ দাগ হতে ০১ (এক) শতাংশ জমি অন্য কারো নামে রের্কড বা নামজারী, এমনকি বরাদ্ধ হয়ে থাকে তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ্য থাকার কথা, সেখানে তিনি অবৈধ দখলদারদের স্বরণাপন্ন হলেন কেন ? অবৈধ দধলদারেরা যেমন দখলীয় মালিক সহকারি কমিশনার ভূমি ঠিক তেমনি রেকর্ডীয় এবং সাংবিধানিক বৈধ মালিক তিনি কি জানেন না ৫১৩ নং দাগের অবস্থান ? কাদাপানি বন্ধের লক্ষ্যে যদি নির্দিষ্ট সময়ে ভ্রাম্যমান আদালত তার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে পারেন। সেখানে রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষার্থে নোটিশ বা জল্পনা-কল্পনা কেন ? ভ্রামানমান আদালত উপস্থিত বিচারিক রায় ঘোষনা করে পরবর্তীতে স্থানান্তরের জন্য একটি নির্ধারিত সময় দিয়ে চূড়ান্ত নোটিশ টি কেন দিতে পারলেন না ? সে ক্ষেত্রে বিষয়টা অনেকটা অন্ধের শহরে আয়না বিক্রির মতো হয়ে গেল না!
অবৈধ দখলদারেরা কি কাগজপত্র দিবে সংশ্লিষ্ট নথি যদি সঠিক থাকে তাহলে তাদের কাছে কি কাগজ রয়েছে সে কাগজ কতটুকু সত্যমূল্য রাখে এটা কি অনুমান করা কঠিন কিছু। সরকারে প্রতিনিধি যদি সরকারের সম্পত্তি রক্ষার্থে অবস্থান ঠিক না রাখেন তাহলে দেশ রসাতলে যেতে সময়ের অপেক্ষা মাত্র। কাদাপানি বন্ধ করে কর্তব্য পরায়ন হওয়ার চেয়ে দেশ ও রাষ্ট্রের অস্তিত্বটুকু কাদামুক্ত রাখার চেষ্টা করা আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য হওয়া উচিত।