রাজারহাটে ফের কুয়াশা ও প্রচন্ড ঠান্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত

প্রকাশিত

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি :
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে গত ২দিন ধরে ফের কুয়া ও প্রচন্ড ঠান্ডায় শুরু হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ২১জানুয়ারী মঙ্গলবার রাজারহাটে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। শৈত প্রবাহের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা স্কুল কলেজে গেলেও হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় পড়া শুনা করতে পারছে না। বাধ্য হয়েই নিদিষ্ট সময়ের পূবেই তাদের ছেড়ে দিয়েছে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। গত সোমবার রাতে সামান্য বৃষ্টি হওয়ার পর ভোর থেকে আকস্মিকভাবে ঘন কুময়াশা শুরু হয়। দিনটির প্রথম প্রহরে ঘন কুয়াশা প্রবাহিত হলেও দুপুরের পর সূর্য্যের দেখা মেলে। সে কারণে কিছুক্ষণ গরম অনুভূত হয়। কিন্তু সূর্য্য গড়িয়ে বিকাল শুরু হওয়ার সাথে সাথে আবারো প্রচন্ড ঠান্ডা নেমে আসে। সন্ধ্যার পর ঘন কুয়াশায় কারণে পথঘাট কুময়াশার চাদরে ঢেকে যায়। এসময় হিমেল হাওয়ায় মানুষ পশু-পাখি কাতর হয়ে পড়ে। ২১জানুয়ারী মঙ্গলবার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেয়া যায়, কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় ছিন্নমূল মানুষ জড়োসড়ো হয়ে পড়ে। কম্বল ও কাঁথা মুড়ি দিলেও শিশু ও বৃদ্ধরা ঠান্ডায় হিমসিম খায়। কোন ধরনের কাজ করতে পারছে না। ঠান্ডা এতোটাই যে মানুষ ঘরের বাইরে যেতে পারছে না। বিশেষ কোন কাজ ছাড়া মানুষের পদচারণা কমে গেছে। শুধু মানুষ নয় গবাদী পশুর গায়েও উঠেছে চটের বস্তা ও ছেঁড়া কাঁথা। গরম কাপড়ের দোকানগুলো সরগম হয়ে উঠেছে। প্রচন্ড ঠান্ডা অনুভূত হওয়ার সুযোগে গরম কাপড়ের দোকানদাররা অতিরিক্ত দামে কাপড় বিক্রি করছে। তিস্তা ও ধরলা নদীর পাড় এলাকায় বেশী শীত ও ঠান্ডা অনুভূত হয়। শীত নিবারণের জন্য মানুষ আগুনের পোড়(কুন্ডলী) তৈরি করে আগুন তোপাচ্ছে। রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া অধিদপ্তরের ইনচার্জ সুবল কুমার সরকার বলেন, ২১জানুয়ারী সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.২ ডিগ্রী সেলসিয়াস। ২০জানুয়ারী ছিল ১২.৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগামী ৭২ ঘন্টায় তাপমাত্রা আরো হ্রাস হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। সেই সাথে কিছু কিছু এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। রাজারহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্েরর শীতে তেমন কোল্ড ইনজুরিরর রোগী নেই বলে স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ শাহীনুর জানান।