বেনাপোল নো-ম্যান্স ল্যান্ডে দুই বাংলার অনুষ্ঠান এবার আলাদা মঞ্চে’অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত

বেনাপোল প্রতিনিধি-
প্রতি বছরের ন্যায় এবারও যশোরের বেনাপোল সীমান্তের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে উদযাপিত হবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠান। তবে মানুষের চাপ সামলানো ও নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবার আলাদা মঞ্চে হচ্ছে দুই বাংলার অনুষ্ঠান।
বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৩ টার দিকে বেনাপোল চেকপোস্টের মঞ্চ তৈরির কাজ পরিদর্শন করেছেন শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ২১ উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব নূরুজ্জামান। ইতোমধ্যে দাওয়াতপত্র বিতরণ শেষ হয়েছে বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকছেন স্থানীয়,পল্লী ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য। বিশেষ অতিথি হিসাবে থাকবেন ৮৫ যশোর-১ শার্শা আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিন, বেনাপোল কাস্টমসের কমিশনার বেলাল হোসাইন চৌধুরী, যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ, যশোরের পুলিশ সুপার আশরাফ হোসেন, বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব /ট্রাফিক) আব্দুল জলিল,
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সেলিম রেজা, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু ও শার্শা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুজ্জামান।
আয়োজকরা জানান, সকাল সাড়ে ৯টার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট নো-ম্যান্স ল্যান্ডে অস্থায়ী শহীদ বেদীতে ফুল দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ৮৫ যশোর-১ শার্শা আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিন।
বেনোপোল সীমান্তে ভাষা দিবস পালনের অনুষ্ঠানস্থল

বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শনের পর এমপি শেখ আফিল উদ্দিন জানান, ‘দুই বাংলার ভাষাপ্রেমী মানুষের চাপ সহনীয় পর্যায়ে রাখতে এবার আলাদা আলাদা মঞ্চে একুশে উদযাপিত হবে। বেনাপোল চেকপোস্টে জায়গা অনেক কম। মানুষের চাপ থাকে অনেক বেশি। বিভিন্ন আইনশৃঙ্খরা রক্ষাকারী বাহিনী হাজার হাজার মানুষের ধকল নিতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যায়। নানা দিক চিন্তা ভাবনা করে এবার আলাদা মঞ্চে ২১ উদযাপনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে একই মঞ্চে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে। বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে এবার আলাদা মঞ্চে মাতৃভাষা দিবস পালন করা হবে। কিন্তু বেনাপোল চেকপোস্টের জিরো লাইনে অবস্থিত অস্থায়ী শহীদ বেদীতে একই সঙ্গে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের কার্যক্রম শুরু করবেন দুই বাংলার প্রতিনিধিরা।