পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণে গ্রেফতার দুই, প্রেমিক পলাতক

প্রকাশিত

সাভারের আশুলিয়ায় একটি গার্মেন্ট তরুণীকে (১৯) ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিকসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ দুই জনকে গ্রেফতার করলেও ওই তরুণীর প্রেমিক সামিউল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার সকালে প্রেমিক সামিউল ইসলামসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার মৃত জলিল সরকারের ছেলে রানা সরকার (২৫) ও একই এলাকার মৃত জামাল মোল্লার ছেলে আরিফ হোসেন (২৯)।

পলাতক পোশাক শ্রমিক সামিউল ইসলাম মৃধা ওরফে সোহান (২২) আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকার মঞ্জুরুল ইসলামের বাড়ির ভাড়াটিয়া। তার বাড়ি নাটোর জেলার লালপুর।

মামলা সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকায় একটি পোশক কারখানার শ্রমিক ওই তরুণী সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে স্থানীয় সামিউল। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতে ওই তরুণী নরসিংহপুর এলাকায় তার বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যায়। পরে বাসায় ফেরার পথে প্রেমিক সামিউল তাকে নরসিংহপুর এলাকায় তার ভাড়া বাসায় ডেকে নেয়। এরপর কৌশলে ওই তরুণীকে নিজ কক্ষে নিয়ে দরজা আটকে দেয় সামিউল।

এ সময় কক্ষে আগে থেকেই সামিউলের বন্ধু আরিফ ও রানা অবস্থান করছিল। পরে প্রেমিক সামিউল, তার বন্ধু আরিফ ও রানা ওই তরুণীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এ সময় ওই তরুণীর চিৎকারের চেষ্টা করলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাকে বাসা থেকে বের করে দেয়। এ ঘটনায় থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী।

এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার পরিদর্শক (ইন্টিলিজেন্স) ফজলুল হক বলেন, ওই নারীকে গণধর্ষণের অভিযোগে সোমবার রাতে নরসিংহপুর এলাকা থেকে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় পলাতক সামিউলকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। একই সাথে ভুক্তভোগী নারীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।